মালী ও মালিনী mali o malini the-gardener
  • ফুল গাছ
    • দেশি ফুল গাছ
      • রঙ্গন ফুল
    • বিদেশী ফুল
      • জবা
      • বাগানবিলাস
      • ফুরুস ফুল
  • ফলদ বৃক্ষ
    • দেশি ফল গাছ
      • পেয়ারা
    • বিদেশী ফল গাছ
  • বনজ উদ্ভিদ
  • ঔষধি গাছ
  • মশলা গাছ
  • শোভাময় গাছ
    • ইনডোর প্লান্টস
  • সবজি
    • বারোমাসি সবজি
  • বীজ
Login / Register
Search
2 items ৳ 750.00
Menu
মালী ও মালিনী- Mali o Malini - The gardener
2 items ৳ 750.00
“মালবেরি” has been added to your cart. View cart
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
Click to enlarge
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
কালো জাম ফল গাছের চারা
নীলমণিলতা ফুল গাছের চারা
নীলমণিলতা ফুল গাছের চারা ৳ 350.00
Back to products
বারোমাসি মিষ্টি সাদা জাম ফল গাছের চারা
বারোমাসি মিষ্টি সাদা জাম ফল গাছের চারা ৳ 600.00

কালো জাম ফল গাছের চারা

৳ 400.00

জাম ফল (ইংরেজি নাম: Black Plum, বৈজ্ঞানিক নাম: Syzygium cumini) একটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি ফল। বাংলাদেশ, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটি খুব জনপ্রিয়। কালচে-বেগুনি রঙের এই ফল স্বাদে টক-মিষ্টি কষযুক্ত এবং খাওয়ার পর জিহ্বা ও ঠোঁটে হালকা রঙ লেগে যায়। শুধু স্বাদের জন্যই নয়, জ্যাম ফলকে বলা হয়
Categories: দেশি ফল গাছ, ফলদ বৃক্ষ
Share:
  • Description
Description

জ্যৈষ্ঠ মাসের তীব্র গরমের পর যখন আষাঢ়ের ভেজা বাতাস বইতে শুরু করে, তখন প্রকৃতি এক নতুন রূপে সেজে ওঠে। আর এই সময়টিতেই আমাদের গ্রামবাংলায় এক বিশেষ ফল পেকে কালো হয়, যার নাম জাম। মৌসুমী ফল ‍হিসাবে কালো জামকে আমরা ভালো করেই চিনি।

জাম Myrtaceae পরিবারভুক্ত একটি ফল। ইংরেজি নাম Black Plum, Jambul, Malabar plum বৈজ্ঞানিক নাম Syzygium cumini. এটি ১ থেকে ২.৫ সেন্টিমিটার লম্বা, প্রায় আয়তাকার। গাছ ১৪ থেকে ৬০ ফুট বা এর বেশিও লম্বা হতে পারে। পাতা সরল, বড়, চামড়া পুরু এবং চকচকে। গাছ চির সবুজ। চকচকে পাতা এবং চিরসবুজ হবার কারণে এর আলংকরিক মান বেশ ভালো।

জাম গাছে মার্চ এপ্রিলে ফুল আসে। জামের ফুল ছোট এবং ঘ্রানওয়ালা। মে জুন মাসে ফল বড় হয়। ফলটি লম্বাটে ডিম্বাকার। শুরুতে এটি সবুজ থাকে যা পরে গোলাপী হয় এবং পাকলে কালো বা কালচে বেগুনি হয়ে যায়। এটি খেলে জিহ্বা বেগুনি হয়ে যায়।

জাম দেখতে ছোট, ডিম্বাকার বা গোলাকার হয়। কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ থাকে, কিন্তু পাকলে তার রং গাঢ় বেগুনি বা কালো হয়ে যায়। এই কালো রঙের জাম যখন গাছ থেকে টুপটাপ করে নিচে পড়ে, তখন মনে হয় যেনো প্রকৃতি তার নিজের হাতে সাজিয়ে দিয়েছে কালো মুক্তোর মালা। জামের বাইরের অংশ মসৃণ এবং ভেতরে একটি আঁটি থাকে।

জাম ভারতবর্ষ থেকে সারা দুনিয়াতে ছড়িয়েছে এবং বর্তমানে এটি সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোতে বেশ দেখা যায়। বাংলাদেশে প্রধানত দুই জাতের জাম পাওয়া জায়। জাতগুলি হলো ক্ষুদি- খুব ছোট জাত এবং মহিষে- বেশ বড় ও মিষ্টি।

জামের উপকারিতা

রসালো ফল জামে জলীয় অংশের পরিমাণ বেশি। এটি খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে, যা গরমের দিনে খুবই দরকার।
গরমের মৌসুমে জ্বর, ঠান্ডা, সর্দি হতে পারে। এ সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে জাম খেলে এই রোগগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব। কারণ জামে থাকা ভিটামিন সি এবং অন্যান্য উপাদান মৌসুমের আবহাওয়া অনুযায়ী শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম আরও সচল করে তোলে।
গরমের মৌসুমে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যার দেখা দিতে পারে। যেমন ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া,সানবার্ন হওয়া ইত্যাদি। জাম খেলে এসব সমস্যার সমাধান হতে পারে। জামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ত্বকের জ্বালাপোড়া, ব্রনের মত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।
জামে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং মাইক্রো ও ম্যাক্রো মিনারেলস, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এই ফলে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এই দুই ভিটামিন শরীরে জমে থাকা টক্সিন শরীর থেকে বের করে দিয়ে শরীর সুস্থ রাখে।
জাম খেলে পেট ঠান্ডা থাকে এবং হজমশক্তি বাড়ে। বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়ার মতো সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
জামে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল উপাদান, যা জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
যাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কম, তাদের জন্য জাম খাওয়া খুবই উপকারী। জামে থাকা মিনারেলস হিমোগ্লোবিন বাড়ায় এবং সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে।
জামের ডায়াটারি ফাইবার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা এ ফলটি খেতে পারেন।
জামে আছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং ধমনীগুলোকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ফলে কার্ডিওভাস্কুলার সমস্যা প্রতিরোধ হয়।
যাদের খাবারে রুচি নেই তারা এ ফলটি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। জামের ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি মুখের রুচি ফেরাতে সাহায্য করে।

সতর্কতা

খালিপেটে জাম খাওয়া একদমই উচিত নয়। আধাপাকা জাম না খেয়ে পাকা জাম খেতে হবে। খাবার পরপরই ভরাপেটে জাম খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
কিডনি রোগীদের জাম খেতে নিষেধ করা হয়। কিডনি রোগীরা এ ফলটি খেতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

Related

Related products

ভেরিগেটেড পেয়ারা গাছের চারা
ভেরিগেটেড পেয়ারা গাছের চারা

ভেরিগেটেড পেয়ারা গাছের চারা

৳ 450.00
Add to cart
থাই বারোমাসি সফেদা ফল গাছের চারা
থাই বারোমাসি সফেদা ফল গাছের চারা

থাই বারোমাসি সফেদা ফল গাছের চারা

৳ 450.00
Add to cart
থাই মিষ্টি বেল ফল গাছের চারা
থাই মিষ্টি বেল ফল গাছের চারা

থাই মিষ্টি বেল ফল গাছের চারা

৳ 400.00
Add to cart
থাই কদবেল ফল গাছের চারা
থাই কদবেল ফল গাছের চারা

থাই কদবেল ফল গাছের চারা

৳ 400.00
Add to cart
সুইট লেমন ফল গাছের চারা
সুইট লেমন ফল গাছের চারা

সুইট লেমন ফল গাছের চারা

৳ 450.00
Add to cart
থাই জাম্বুরা ফল গাছের চারা
থাই জাম্বুরা ফল গাছের চারা

থাই জাম্বুরা ফল গাছের চারা

৳ 650.00
Add to cart

ত্বীন, আঞ্জির বা ডুমুর ফলের গাছ

৳ 350.00
Add to cart
থাই মিষ্টি করমচা গাছ
থাই মিষ্টি করমচা গাছ

থাই মিষ্টি করমচা গাছ

৳ 350.00
Add to cart
মালী ও মালিনী- Mali o Malini - The gardener
  • Our Plants
  • Privacy Policy
  • Refund and Returns Policy
  • Blog
  • About Us
  • Contact
Get in Tuch
  • Menu
  • Categories
  • বীজ
  • ফুল গাছ
    • দেশি ফুল গাছ
      • রঙ্গন ফুল
    • বিদেশী ফুল
      • জবা
      • বাগানবিলাস
      • ফুরুস ফুল
  • ফলদ বৃক্ষ
    • দেশি ফল গাছ
      • পেয়ারা
    • বিদেশী ফল গাছ
  • বনজ উদ্ভিদ
  • ঔষধি গাছ
  • মশলা গাছ
  • শোভাময় গাছ
    • ইনডোর প্লান্টস
  • সবজি
    • বারোমাসি সবজি
  • বীজ
  • Login / Register
Shopping cart
Close
Sign in
Close

Lost your password?

No account yet?

Create an Account
Start typing to see products you are looking for.
Shop
2 items Cart
My account